নদীর তীর রক্ষা কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
দেশে এখন
0

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সততা বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নদীর তীর রক্ষা কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে কিংবা প্রকল্পের কাজে কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে টেন্ডার বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। এছাড়া প্রকল্পের কাজে কোনো রকম অনিয়ম-দুর্নীতি যাতে না হয়, সে বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আজ (শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর) লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের পিয়ারাপুর শহীদ মাজহারুল মুনির উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল রিকভারি ইমার্জেন্সি প্রিপারডনেস অ্যান্ড রেসপন্স প্রজেক্টের আওতায় তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী বলেন, রহমতখালী ও ওয়াপদা খালের পানির চাপ এবং তীর ভাঙনে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষা ও বন্যার সময় জলাবদ্ধতার কারণে বাড়িঘর ও উঠানে পানি জমে যায়। এ সমস্যা সমাধানে স্যান্ড-সিমেন্ট-জিওব্যাগ পদ্ধতিতে তীর সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে। 

তিনি বলেন, বালু ও সিমেন্ট দিয়ে তৈরি জিওব্যাগ খালের পাড়ে নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত স্থাপন করা হবে। পানির চাপ মোকাবিলায় এ প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ফলে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর এলাকার মানুষ ভাঙন থেকে সুরক্ষা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার পর মান্দারী ও দিঘলী থেকে মজুচৌধুরীর হাট পর্যন্ত প্রয়োজনীয় এলাকায় ব্লক দিয়ে স্থায়ী তীর সংরক্ষণের জন্য ৩০০ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বি-স্ট্রং প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ সামিউল হক, ফেনী সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

এছাড়াও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান, বাফুফের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এএম