রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি; আয়াস-রিমিসহ ৪ জন রিমান্ডে

আয়াস ও রিমি
দেশে এখন
আইন ও আদালত
0

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি ইস্যুতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চার আসামির বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ (রোববার, ১১ অক্টোবর) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর সদস্যসচিব আ ন ম আয়াস এবং মো. সাকিবুল হাসানের (১৯) তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পাশাপাশি মারজিয়া খন্দকার রিমি ও মো. সুজন মিয়ার (১৮) দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার এসআই আব্দুল গাফফার হিমেল।

গতকাল (শনিবার, ১০ অক্টোবর) রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি বিকৃতির চেষ্টার ঘটনায় শাহবাগ থানার এসআই জিয়াউল হক বাদী হয়ে এই মামলা করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টিসহ রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে।

রিমান্ড আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করেছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং পলাতকদের ঠিকানা সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এছাড়া এই ঘটনার উসকানিদাতা, মদদদাতা, পরিকল্পনাকারী ও অর্থায়নকারীদের তথ্য জানতে আসামিদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য দিচ্ছিলেন না বলেও আবেদনে জানানো হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সীমানা দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সত্যজিৎ রায়, কাজী নজরুল ইসলামসহ ১০ গুণী ব্যক্তির প্রতিকৃতি আঁকা হয়েছিল।

শনিবার ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’-এর আয়াসের নেতৃত্বে কিছু লোক এসব প্রতিকৃতি মোছার চেষ্টা চালান। এসময় মারজিয়া খন্দকার রিমি নামের নারী রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালো কালি দিতে গেলে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে বাধা দেন।

তখন ওই নারী ‘ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ’ জানাতে এসেছেন দাবি করেন এবং একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। সেখান থেকেই আয়াসসহ চারজনকে আটক করে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

এএইচ