জ্বালানির মূল্য বাড়লে প্রভাব পড়ে পণ্যের উৎপাদন ও পরিবহনে। যা শেষমেশ যোগ হয় পণ্যমূল্যে।
চট্টগ্রামের বাজারে এ সপ্তাহে বেড়েছে সবজি, মাছ, চিনিসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম। বরবটি, ঝিঙ্গা, করলা, ঢেঁড়স গ্রীষ্মকালীন সব সবজির দামই কেজিতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। বেড়েছে শসা, টমেটো, ধনিয়াপাতার দামও।
সবজি বিক্রেতারা জানান, বাজারে সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। সামান্য লাভে পণ্য বিক্রি করছেন তারা।
ডিমের দাম ডজনে বেড়েছে ১৫ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। এছাড়া বয়লার মুরগি কেজি ১৯০ টাকা, সোনালী ৩৩০ ও লেয়ার মুরগী ৩৬০ টাকা।
ডিম ব্যবসায়ীরা জানান, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম কিছুটা বাড়ছে। ডজন ১৩০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামের বাজারে সামুদ্রিক মাছের ভালো সরবরাহ থাকে, তবে এখন ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলায় মিঠা পানির মাছে দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা। সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ নেই বললেই চলে।
ক্রেতারা জানান, কাপ্তাই হ্রদ বন্ধ করে দিলে মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা বাড়বে।
এক মাস পরেই আসছে কোরবানির ঈদ। মুদি দোকানে মসলা পণ্যের সমাহার। ধাপে ধাপে বাড়ছে এলাচ, দারুচিনিসহ কয়েকটি মসলার দাম। তবে এ সপ্তাহে বস্তায় ৫০ টাকা বেড়ে গেছে চিনির দাম।
বিক্রেতাদের একজন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পণ্যর দাম তেমন বৃদ্ধি পায়নি। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে কিছুটা দাম বাড়তে পারে।’
একই সাথে জালানির মূল্য ও এলপিজির মূল্য বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মানুষের জীবনযাত্রায়। নিত্যপণ্যের দাম, ভাড়া বৃদ্ধি ও আমদানি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ভোগাবে নিদিষ্ট আয়ের মানুষকে।




