সরবরাহ বাড়লেও ইলিশের দাম চড়া; স্বস্তি নেই আমিষের বাজারে

মাছের বাজার
কাঁচাবাজার
বাজার
0

নিষেধাজ্ঞা শেষে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম। আকারভেদে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। সবজিতে কিছুটা স্বস্তি মিললেও আমিষের চড়া দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা। তবে তুলনামূলক নাগালেই রয়েছে পাবদা ও পোয়া মাছ, যা মিলছে সাড়ে তিনশ টাকায়। আর রুই মাছের জন্য কেজিতে গুনতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।

শীতের আগমনী বার্তায় রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে বেড়েছে শীতকালীন আগাম সবজির সরবরাহ। আর তাতেই কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সবজির দামে।

প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি মুলা ২০ থেকে ২৫ এবং বেগুন মিলছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা দরে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ বাড়ায় গত সপ্তাহের চেয়ে এসব সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে পাইকারি বাজারে টমেটোর দাম অপরিবর্তিত, প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।

ক্রেতারা জানান, সবজির দাম বেশি। সাধারণ মানুষের জন্য বাজার নাগালের বাহিরে।

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও, ক্রেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ আমিষ এর বাজারে। চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে ইলিশ মাছ। প্রকারভেদে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রয়েছে পাবদা ও পোয়া মাছ, যা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায় এবং রুই মাছের জন্য গুনতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।

মধ্য ও নিন্মবিত্ত মানুষের পছন্দের আমিষ বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় এবং সোনালী মুরগি কিনতে গুনতে হচ্ছে

২৯০ থেকে ৩০০ টাকা। গরিবের আমিষ খ্যাত ডিম গত সপ্তাহের চেয়ে ডজনে ১০ টাকা কমে মিলছে ১৩০ টাকায়।

এদিকে মুদিপণ্যের দাম গত সপ্তাহে মতো অপরিবর্তিত রয়েছে, মসুরের ডাল প্রকারভেদে ৯০ থেকে ১২০, আদা ও রসুন ১৬০ টাকায়, পেঁয়াজ ১৫৫ টাকায়, সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকায়।

বাজার নিয়ন্ত্রণে শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, সরকারের পক্ষ থেকে মনিটরিং জোরদারের তাগিদ সাধারণ মানুষের।

এফএস