বক্তব্যের শুরুতে শিক্ষা উপদেষ্টা জুলাই আন্দোলনের শহিদদের মহান আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ‘শহিদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই জাতি আজ অধিকারবঞ্চিত প্রজা থেকে মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে অধিকার পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে।’
সমাবর্তনপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে সি আর আবরার বলেন, ‘আজকের দিনটি শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কর্মজীবনে প্রবেশের এ মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যা কেবল ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয়।’
তিনি শিক্ষার্থীদের ন্যায়নীতি, সহনশীলতা, সহমর্মিতা ও ঐতিহ্যকে ধারণ করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন:
প্রযুক্তির উৎকর্ষতা প্রসঙ্গে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের প্রযুক্তির দাস হলে চলবে না, বরং মানুষকেই প্রযুক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
শিক্ষা উপদেষ্টা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের মতো বৈশ্বিক ও জাতীয় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া প্রত্যেক নাগরিকের আবশ্যিক দায়িত্ব।’
অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এ উপদেষ্টা বলেন, ‘সন্তানদের শিক্ষার পেছনে আপনাদের যে ত্যাগ রয়েছে, তা তখনই সার্থক হবে যখন তারা নৈতিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।’
একইসঙ্গে তিনি শিক্ষকদের ধৈর্য ও নিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মান জানান।





