ক্রীড়াঙ্গনের দায়িত্বে আমিনুল হক; ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা সংগঠকদের

দায়িত্ব নেয়ার পর ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক
এখন মাঠে
0

শুধু প্রতিশ্রুতি কিংবা কথার ফুলঝুরি নয়, ক্রীড়াঙ্গনে এবার বড় রকমের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই গোলরক্ষক কাজ করছেন গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে। নবনির্বাচিত সরকারের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে প্রত্যাশা আছে ক্রীড়া সংগঠকদেরও।

দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যখন রাষ্ট্রীয়ক্ষমতায়, তখন ক্রীড়াঙ্গনের অনেক চ্যালেঞ্জ হাজির দলটির সামনে। ক্ষমতাগ্রহণের শুরু থেকেই তাই বাড়তি নজর থাকছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দিকে।

দেশের ক্রীড়াখাতে গুণগত পরিবর্তন আনতে নিজেদের ইশতেহারে ৯ পরিকল্পনা তুলে ধরেছিল বিএনপি। তৃণমূলে খেলার মাঠ দখলমুক্ত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সাফল্যের জন্য অলিম্পিক একাডেমি কিংবা স্পোর্টস রিসার্চ ইন্সটিটিউট তৈরির পরিকল্পনাও আছে দলটির। এছাড়া ২০৩০ সালের মাঝেই বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সম্মানজনক অবস্থানে নেয়ার প্রতিশ্রুতিও আছে বিএনপির।

দায়িত্ব নেয়ার পর এরইমধ্যে সকল ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ফেডারেশনগুলোকে গতিশীল করতে একাধিক পদক্ষেপের পাশাপাশি খেলাকে পেশা হিসেবে নিতে এরইমধ্যে দিয়েছেন নানা দিকনির্দেশনা।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘গত ১ বছরে আমাদের বাংলাদেশের স্পোর্টসের মূল্যায়ন সম্পর্কে আমি তাদের কাছ থেকে একটা রিপোর্ট চেয়েছি। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। খেলোয়াড়দেরকে আমরা একটা বেতন কাঠামোর ভেতরে আনতে চাই।’

দায়িত্ব নেয়ার পরপরই আমিনুল হকের এসব তৎপরতায় আশাবাদী হয়ে উঠছেন ক্রীড়া সংগঠকরাও।

আরও পড়ুন:

রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনকে সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি দিয়ে যে ভুলগুলো অতীতে হয়েছে, করেছিল তারা—সেগুলো থেকে এখন আমরা সুধরে ক্রীড়াঙ্গনকে আবার আমরা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবো।’

তানভীর আহমেদ বলেন, ‘ওনার যে ভিশন, মিশন—সেগুলোর সবকিছুই প্রায় আমাদের সঙ্গে মিলে গেছে। আপনারা জানেন যে, উনি একজন প্রাক্ত ক্রীড়াবিদ। তাই ওনার আর আমাদের পরিকল্পনাও প্রায় একই।’

ক্যাপ্টেন এ এম মাকসুদ আহমেদ বলেন, ‘আমরা যেভাবে চিন্তা করছিলাম, তার চিন্তা-ভাবনা অনেকটা সেরকমই। এরই মধ্যে আমরা আমাদের যে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দাখিল করেছি, সেটা হলো—বিভাগীয় পর্যায়ে টুর্নামেন্টগুলো হবে এবং সেটা জেলা-উপজেলায় ছড়িয়ে যাবে।’

মাহবুবুর রহমান শাহীন বলেন, ‘কথা-বার্তা যা বললেন, যেগুলো উনি আমাদের নির্দেশনা দিলেন, তাতে আমরা আশাবাদী। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে।’

ক্রীড়া সংগঠকদের প্রত্যাশা, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নেয়া পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল পাবে দেশের ক্রীড়াঙ্গন।

এসএইচ