আইএসপিআর জানায়, মহড়া চলাকালে বিমানবাহিনী আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত থাকবে এবং আধুনিক এয়ার ডিফেন্স কৌশল, সমন্বিত অপারেশন এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হবে।
এ মহড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সার্বিক যুদ্ধ সক্ষমতা বিশেষ করে আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের কার্যকারিতা মূল্যায়ন ও উন্নয়ন করা হবে বলেও জানানো হয়।
মহড়ায় যুদ্ধবিমান, পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার, রাডার ইউনিট, সারফেস টু এয়ার মিসাইল ইউনিট এবং আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেমসহ বিমানবাহিনীর সব ঘাঁটি ও ইউনিট সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে। মহড়ার অংশ হিসেবে বিমানবাহিনীর বৈমানিকরা বিভিন্ন ধরনের এয়ার ওয়ারফেয়ার কৌশল অনুশীলন করবেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, সিভিল ডিফেন্স এবং বিএনসিসি (এয়ার উইং) এর বিভিন্ন ইউনিটও এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করছে। এই যৌথ অংশগ্রহণ দেশের সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করবে বলেও জানানো হয়।





