গতকাল (বুধবার, ৮ এপ্রিল) ও আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল) অভিযানে অভিবাসন আইন অমান্যের অভিযোগে তাদের আটক করা হয় বলে জানা যায়।
আজ দেশটির মানবসম্পদ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এ সফরে উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমবাজার পুনরায় চালু, কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এ সফর ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশি শ্রমপ্রত্যাশীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নতুন আশার আলো। কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ এবং শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেকে।
অন্যদিকে, মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থান করা প্রবাসীদের বৈধতার বিষয়েও জোরালো আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর এ সফর কতটা ইতিবাচক ফল বয়ে আনে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুন থেকে আকর্ষণীয় শ্রমবাজার মালয়েশিয়া বন্ধ হয়ে যায় বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশের জন্য। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, সিন্ডিকেট জটিলতা এবং নীতিগত পরিবর্তন নিয়ে দীর্ঘদিন আলোচনা চললেও খোলেনি এ বাজার। তবে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও উপদেষ্টা মাহদী আমিনের মালয়েশিয়া সফর ঘিরে।





