কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উৎপাদন শুরুর সময় জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিলো। তবে চালুর কিছুক্ষণের মধ্যেই আবারও কারিগরি জটিলতা দেখা দেয়ায় উৎপাদন স্থিতিশীলতা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে চালু হওয়ার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মাথায় কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
তারও আগে বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টা ২ মিনিটে কেন্দ্রটির চারটি কোল মিলের মধ্যে দু’টি বিকল হয়ে পড়লে ইউনিটটি বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। এরপর টানা মেরামত কাজ শেষে পুনরায় উৎপাদন শুরু করা হয়।
আরও পড়ুন:
জানা গেছে, কেন্দ্রটির মোট তিনটি ইউনিটের মধ্যে দু’টি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা একমাত্র ইউনিটটিও বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে পড়ায় পুরো কেন্দ্রের উৎপাদন কার্যক্রম অনিয়মিত হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজ পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রটির স্থায়ী সমাধানে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। তা না হলে এ ধরনের সমস্যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে।





