আজ (রোববার, ২৪ মে) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে দীর্ঘ লাইন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে কেউ শেষ মুহূর্তে বাড়ি যাওয়ার টিকিট মেলাতে পেরেছেন, আবার কাউন্টার থেকে খালি হাতে ফিরে কেউ কেউ নিরাশ হয়েছেন।
আরও পড়ুন
অপেক্ষমান যাত্রীরা জানান, অনলাইনে অনেক চেষ্টা করেও, তারা কোনো টিকিট কাটতে পারেননি। বাসের ভাড়াও হয়ে গেছে দ্বিগুণ। বাধ্য হয়ে স্টেশনে এসে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ট্রেনের স্ট্যান্ডিং টিকিট পাচ্ছেন, সেটার সংখ্যা এক বা দুই। আবার অনেকে সেটাও পাচ্ছেন না।
এদিকে, স্টেশনের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাধারণ মানুষের যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য আমাদের ট্রেনের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। আমরা প্রতিদিন গড়ে ৩২ হাজার মানুষকে আন্তঃনগর ট্রেনে যাত্রার সুযোগ করে দিতে পারি। ঈদ উপলক্ষে আসনবিহীন টিকিটসহ আরও ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে অতিরিক্ত ৪ হাজার মানুষের যাওয়ার সুযোগ করা হয়েছে। লাখ লাখ মানুষের ট্রেনে যাওয়ার ইচ্ছা থাকে, তাই সীমিত সামর্থ্য নিয়ে এ চাপ সামলানো আমাদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং।’





