রাজধানীতে জমতে শুরু করেছে পশুর হাট, লেনদেনে ডিজিটাল ব্যাংকিং

রাজধানীর পশুর হাট
দেশে এখন
2

ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র দু’দিন। জমে উঠতে শুরু করেছে রাজধানীর পশুর হাট। বেশি বিক্রি হচ্ছে ছোট ও মাঝারি আকারের পশু। হাটগুলোতে লেনদেনের জন্য ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবারও হাসিল নির্ধারণ হয়েছে পাঁচ শতাংশ।

অনেকটা বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে নগরীর হাটগুলোতে সারি সারি দাঁড়িয়ে অসংখ্য গবাদি পশু। যা কোরবানির জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে দেশের নানা প্রান্ত থেকে।

হাটগুলোতে বাড়ছে ক্রেতা সমাগম। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এখনো আসছে কোরবানির পশু। এরইমধ্যে এক হাট থেকে অন্য হাট ঘুরে পছন্দের পশু কিনছেন নগরবাসী।

ক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘পছন্দ হয়েছে দামাদামি করা হচ্ছে এখন দেখা যাক বাকিটা। কোরবানির পশু তো এটা একটা ধর্মীয় অনুভূতি সবার। তো এই ধর্মীয় জায়গা থেকে সবাই চায় তার পছন্দের একটা পশু দিতে।’

ক্রেতারা বলছেন— পশুর দর এবার কিছুটা বেশি, তাই ছোট ও মাঝারি গরু কিংবা ছাগলই তাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

ক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘কয়েকটার দাম একটু বেশি ছিল বাট বাকিগুলো হচ্ছে দাম অনুযায়ী গরুটা খুব ভালো। এখনো পর্যন্ত বাজার ওইভাবে মানে গরম মনে হচ্ছে না।’

আরও পড়ুন:

দরদাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন খামারি ও ব্যাপারিরা। জানান, গো খাদ্য ও পশু লালন-পালনে ব্যয় বেড়েছে, তাই পশুর দর সামান্য বেশি।বেচাকেনা আপাতত ঢিলেঢালা, তবে পুরোদমে কেনাকাটা জমতে আরও এক বা দুই দিন লাগবে।

খামারিদের মধ্যে একজন বলেন, ‘হাটের অবস্থা সেরকম একটা ভালো না, মানে ক্রেতারা যে দামে যে মূল্যে নিয়ে আসছে ঠিক আছে, তার চাইতেও কম বলতাছে।’

হাট কর্তৃপক্ষ জানান সব সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে ক্রেতা বিক্রেতাদের। ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা করা হয়েছে, হাসিল নির্ধারণ হয়েছে পাঁচ শতাংশ। এছাড়া পশুর স্বাস্থ্য দেখভালে রাখা হয়েছে প্রাণিসম্পদের চিকিৎসক।

সানভ্যালী পশুর হাটের সদস্য পর্যবেক্ষক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম বলেন, ‘পাইকার ভাইদের নিশ্চিন্তে নিরাপত্তা দিচ্ছি। সিসি ক্যামেরা আছে, ডিজিটাল লেনদেন আছে, তারপরে হইতেছে গরুর জন্য চিকিৎসক আছে, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা আছে, ইলেক্ট্রিসিটি আছে।’

আসন্ন ঈদুল আজহার জন্য এবার ঢাকার উত্তর সিটিতে ১৬টি ও দক্ষিণ সিটিতে ১১টিসহ মোট ২৭টি পশুর হাট বসানো হয়েছে।

এসএস