প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি অনুদান কোনো ব্যক্তি বা দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, প্রকৃত প্রয়োজন ও যোগ্যতার ভিত্তিতে বিতরণ করতে হবে। যিনি সত্যিকার অর্থে প্রাপ্য, অনুদান তার কাছেই পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্য হিসেবে পঞ্চগড়ের প্রতিটি মানুষের প্রতি যেমন তার দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি মন্ত্রী হিসেবে দেশের সব মানুষের কল্যাণে কাজ করাও দায়িত্ব।’
দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সিদ্ধান্ত নিলে অতীতের বৈষম্যমূলক অবস্থার পুনরাবৃত্তি ঘটবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
দলীয় নেতাকর্মী ও প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আত্মীয়প্রীতি পরিহার করে দীর্ঘদিনের ত্যাগী কর্মী এবং প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মন্ত্রী হওয়ার পর অনেক নতুন আত্মীয়ের আবির্ভাব ঘটে, কিন্তু দীর্ঘদিনের নিবেদিত কর্মীদের মূল্যায়ন করাই সবচেয়ে জরুরি।’
সরকারের সাশ্রয়ী নীতির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে কাজ করছে। বিদেশ সফর, নতুন গাড়ি ক্রয়সহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।’
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, জেলা পরিষদ প্রশাসক তৌহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আবু সাইম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চুসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





