রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:
এদিকে, রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের খবরের মধ্যেই নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগে থাইল্যান্ড সফর শেষ করে শুক্রবার দুপুরে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
তবে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়নি। ফলে রয়টার্সের প্রতিবেদনের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।





