আজ (শুক্রবার, ২৪ জুলাই) বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয় জানাতে সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশে এ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল। তবে দুপুরে এসে জানতে পারলাম, বিষয়টি সত্য। তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদত্যাগ করেছেন। আমি তার মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।’
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের জন্যও শপথ নিয়েছি। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার শপথ নেয়ার সময়ও শপথের অংশ হিসেবে উল্লেখ থাকে—কোনো কারণে স্পিকারের পদ শূন্য হলে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।’
রাষ্ট্রপতি অসুস্থতার কারণে নাকি অন্য কোনো কারণে পদত্যাগ করেছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ একটি গুরুতর ঘটনা। এর সঙ্গে দেশের ভালো-মন্দের বিষয় জড়িত। তিনি একজন মানুষ, তাই অসুস্থ হতেই পারেন।
‘তিনি তার অসুস্থতার বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন এবং লিখিত পদত্যাগপত্রে কী কী রোগে ভুগছেন, তাও উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, এসব অসুস্থতার কারণে মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে আলাদা করে কোনো ডাক্তারের সনদের প্রয়োজন নেই, কারণ তিনি নিজেই বিষয়গুলো লিখিতভাবে জানিয়েছেন।’
স্পিকার বলেন, ‘আমরা আশা করি, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এ বিষয়ে যে ধোঁয়াশা ছিল, তা পরিষ্কার হয়েছে। এ নিয়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, বিরূপ মনোভাব বা বিভ্রান্তি তৈরি হবে না। এর আগেও বিভিন্ন কারণে রাষ্ট্রপতিরা পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি চাইলে পদত্যাগ করতে পারেন। তবে রাষ্ট্রপতির পদ কখনোই শূন্য থাকে না; সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পালনের ব্যবস্থা থাকে।’





