এর আগে, তাদের মরদেহ দেশে ফেরত পাঠাতে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ দেয় কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন। মিলেছে ফরেইনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের অনুমতিও।
জানা যায়, রাতে মরদেহগুলো রাখা হয় হিমাঘরে। শনিবার স্থানীয় সময় ১০টা নাগাদ কলকাতা থেকে সীমান্তের উদ্দেশে রওনা দেবে মরদেহবাহী ফ্রিজিং গাড়ি।
প্রাণ হারানোদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের ৪ জন ও ঢাকার সাভারের আহামেদ বাবুর মরদেহ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরবে।
আর আগুনের ঘটনায় নিহত সাতক্ষীরার বাসিন্দা মৃত এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত আসবে। নিহত আরেক বাংলাদেশি রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের ইচ্ছায় সৎকার করা হবে ভারতেই।
এদিকে, শুক্রবারও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার আরও ১৭টি হোটেলের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ জারি করে পশ্চিমবঙ্গের দমকল বিভাগ।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে হোটেলটিতে ভয়াবহ আগুন লাগলে ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে সাত বাংলাদেশিসহ মোট নয়জন মারা যান।





