প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন এবং পলিসিগত পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত নেতৃত্ব স্থানে নারীর সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত সম্ভব না। আন্দোলনের মাঠে নারীরা সামনে থাকলেও পদ কিংবা পদবির ক্ষেত্রে পিছিয়ে। পুরুষের তুলনায় নারীকে বেশি কাজ করে যোগ্যতা প্রমাণ করতে হয়।
তিনি আরও বলেন, যত বেশি নারীরা শিক্ষিত হবে তত বেশি নারী স্বনির্ভর হবে এবং ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে, সেক্ষেত্রে সরকার নারীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে অধিক মনোযোগ দিচ্ছে। জেলা উপজেলা কমিটিগুলোতে ৩০-৩৫ ভাগ নারীর উপস্থিতি নিশ্চিত না করলে মূল জায়গায় পরিবর্তন আসবে না।
ফ্রেডরিক এবার্ট স্টিফটু এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর গভার্ন্যান্স স্টাডিজ-এর সভাপতি জিল্লুর রহমান, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, কমিউনিস্ট পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদারসহ অনেকে।





