আজ (সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘সংসদীয় কমিটিতে সদস্য অন্তর্ভুক্তি, পুনর্মূল্যায়ন ও অদলবদলের সুযোগ রয়েছে। তাই নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে ওই সদস্যকে কোনো কমিটিতে না রাখলে তা একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
দল থেকে বহিষ্কৃত ওই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ফ্লোর ক্রসিংয়ের অভিযোগ তোলার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের আমির। তার ভাষায়, ওই সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ফলে তিনি বর্তমানে দলের সদস্য নন। তাই তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত ভায়োলেট করে ফ্লোর ক্রসিং করেছেন—এমনটা বলার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘মহান জাতীয় সংসদের মতো একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে যাকে নৈতিক কারণে বহিষ্কার করে চিঠি দেয়া হয়েছে, তাকে কোনো কমিটিতে না রাখাই নৈতিকতার দিক থেকে উত্তম ছিলো।’





