ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়ে কোনো সংকট তৈরি করা যায় না মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা শহরের কয়েকটি জায়গায় দুএকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে, বাসে আগুন দেয়া হয়েছে; এসব করে আসলে কোনো সংকট তৈরি করা যায় বলে আমি মনে করি না।’
বিরোধীদলের আন্দোলন প্রসঙ্গে জাহেদ বলেন, ‘যারা এখন বিরোধীদলে আছেন, তারা লংমার্চ করছেন। তারা তা করতেই পারেন; এমনকি তারা সরকারের কাছে এক দফা দাবিও দিচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টি এত বড় আন্দোলন করেছে, কিংবা এর আগে মোদির বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন হয়েছিল, অর্থাৎ দিল্লিকে অচল করে দেয়া হয়েছিল, কিন্তু সরকারের পদত্যাগ দাবি করা হয়নি। যেখানে ব্যর্থতা রয়েছে, সেখানে চাপ সৃষ্টি করাই ভালো।’
আরও পড়ুন:
এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ বলেন, ‘জ্বালানির দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা বাড়বে—এ কথা তিনি অস্বীকার করবেন না।’
‘তবে সরকারের কাছে এর চেয়ে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না,’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। তাহলে কোনো সরকার কি ইচ্ছাকৃতভাবে এ সময়ে এমন একটি অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেবে? নিশ্চয়ই না।’
‘আমি আশা করি, জনগণ বুঝতে পারবে কেন তাদের নির্বাচিত সরকার এ মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নেয়ার পেছনে আইএমএফের কোনো শর্ত ছিল না।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় বোয়িং কেনার চুক্তি সই হবে কি না, সে বিষয়ে আমার কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই। তবে বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত আগেই নেয়া হয়েছে, তাই চুক্তি হতে পারে।’





