‘অভিজ্ঞতা থেকে অর্থবহ পরিবর্তন: মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের প্রসার’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সেমিনারে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিজ্ঞানী ও ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুর নাহার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সামাজিক সমস্যা সমাধানে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার পরিবর্তনও জরুরি। কার্যকর মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মনোসামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, যুগোপযোগী শিক্ষা এবং বিভিন্ন পেশাজীবীর মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।’
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক উপাদান বিবেচনায় নিয়ে বহুখাতভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
সেমিনারে বক্তারা ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মীদের পেশাগত স্বীকৃতি, উপযুক্ত পদ সৃষ্টি এবং সরকারি হাসপাতাল ও মানসিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে তাদের নিয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন। সমাজকর্ম ও সমাজকল্যাণ বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের সংশ্লিষ্ট পদে অগ্রাধিকার দেয়ার পাশাপাশি পৃথক বিসিএস সমাজসেবা ক্যাডার চালুর দাবিও উঠে আসে।
সিএসডব্লিউএবির সভাপতি ও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহমিনা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহীন খানসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও মানসিক স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য, মানবিক ও কার্যকর করতে প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ব্যক্তি, পরিবার ও কমিউনিটিভিত্তিক সেবা সম্প্রসারণ জরুরি।





