বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে: ডা. জাহেদ

ডা. জাহেদ উর রহমান
দেশে এখন
0

বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দিন দিন বাড়ছে। অর্থ থাকা সত্ত্বেও অনেক দেশ পর্যাপ্ত জ্বালানি পাচ্ছে না এবং সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সরকার। এমন পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি, দেশিয় গ্যাস অনুসন্ধান এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আজ (মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

উপদেষ্টা জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলজেরিয়ার সঙ্গে হাইড্রোকার্বন খাতে সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এর আওতায় সরকার থেকে সরকার (জি-টু-জি) প্রক্রিয়ায় দেশটি থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং অন্যান্য পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য আমদানির সুযোগ তৈরি হবে।

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে এখন জ্বালানি সরবরাহের উৎসে সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক দেশ অর্থ ব্যয় করতে প্রস্তুত থাকলেও পর্যাপ্ত জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারছে না।’

জ্বালানি তেলের বাজার বিশ্লেষণ করে তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি দেশে তেলের দাম সমন্বয়ের পর আন্তর্জাতিক বাজারে দাম সামান্য কমলেও বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বস্তিদায়ক মনে করার কোনো সুযোগ নেই; বরং পুরো বাজারটিই চরম অস্থিতিশীলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।’

দেশের অভ্যন্তরীণ উদ্যোগ তুলে ধরে ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেশিয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের কাজ জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে কূপ খননের মাধ্যমে অনুসন্ধান চলছে, কোথাও কোথাও নতুন গ্যাসের সন্ধানও মিলেছে। একই সঙ্গে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার ও নতুন কূপ খননের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

এসএস