বিরামহীন ব্যস্ততা শেষে দেশে ফেরা। চার দিনের ম্যারাথন সফরে বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ এবং শিল্প উন্নয়নসহ নানা বিষয়ে ধারাবাহিক বৈঠক ও আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
রাত পৌনে তিনটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রিসভার সদস্য ও বিএনপির নেতারা।
বিমানবন্দরে কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তার দাবি, ঐতিহাসিক এই সফরের মধ্য দিয়ে গত ১৭ বছরের লুটপাটের অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি হবে।
আরও পড়ুন:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘উত্তরাধিকার সূত্রে যে অর্থনীতি পাওয়া গিয়েছিল, যে অর্থনীতিটা ছিলো রেজিমের লুটপাটের। দেশের টাকা পাচারের, সেই জায়গা থেকে আবার দেশের অর্থনীতিটাকে গুছিয়ে নেয়ার জন্য যে পদক্ষেপগুলো নেয়া দরকার। ব্যক্তিগতভাবে তারেক রহমানের যে গতিশীল নেতৃত্ব এবং তিনি এটাকে গুছিয়ে নিয়ে আসার জন্য জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে কাজগুলো করছেন, তার একটা অন্যতম অর্জন হচ্ছে এই ভিজিটটা।’
কৃষি, প্রযুক্তি, পরিবেশ ও জলবায়ুর পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তায়ও কার্যকর সাফল্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। বলেন, এই অর্জন বিরোধী দলের সমালোচনার জবাব।
তিনি বলেন, ‘এই অর্জন বিরোধী দলের সমালোচনার জবাব। এটা একটা ঐতিহাসিক ভিজিট, এটা অত্যন্ত তাৎপর্যমন্ডিত। আপনারা যখন দেখেছেন যে বাংলাদেশে বিরোধী দলসহ অন্যান্যরা নানা বিষয়ে নানা দিক থেকে নাই নাই নাই, হচ্ছে না, হচ্ছে না—এর মধ্যে এইটা বলব যে একটা বড় ধরনের অর্জন তৈরি হয়েছে এই চার দিনের সফরের মধ্যে।’
সফরে যান্ত্রিক ত্রুটি খুব একটা প্রভাব ফেলেনি বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব। এ সময় সফরসঙ্গীদের খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী।
প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পারতেন অন্য বিমানে চলে আসতে, সে সুযোগ ছিলো বা থেকে যেতে পারতেন। উনি থাকেনি, উনি সবাইকে আস্বস্ত করছে এবং সবার সঙ্গে একসঙ্গে আসার প্রতিশ্রুতি দিছে এবং সে একসাথে চলে আসছে।’





