তিনি বলেন, ‘ইরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া কোনো দেশই এই কৌশলগত নৌপথ দিয়ে নিরাপদে জ্বালানি পরিবহন করতে পারবে না।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘হরমুজ পার হতে অবশ্যই ইরানের বেঁধে দেয়া নির্দেশনা মানতে হবে।’
বাংলাদেশের জন্য জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করছেন বলেও উল্লেখ করেন।
কোনো বাংলাদেশি জাহাজ প্রণালি পার হয়েছে কি না, জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘গোপনীয় এই তথ্য শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছেই আছে।’
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইরান, কাতার ও ওমানের এ বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং আর কোনো হামলা না করার নিশ্চয়তা এর প্রধান শর্ত।’
জলিল রহিমি বলেন, ‘রোহিঙ্গা মুসলিমরা যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে ইরান তাদের সমর্থন করবে।’
ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, যেকোনো সংঘাতের জন্য ইরান প্রস্তুত রয়েছে।
রাষ্ট্রদূত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ইরানের ওপর পারমাণবিক হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সমান জবাব দেয়া হবে।’





