তারেক রহমান বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি যেটির প্রতি খুবই যত্নশীল। পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন নামে একটি আইন আছে। এ আইনটি আমরা যতটুকু সম্ভব কার্যকর করতে চাই। আমাদের দেশে এরকম অনেক বৃদ্ধ পিতা-মাতা আছেন, যাদেরকে অনেকসময়ই সন্তানরা দেখতে চায় না বা ভরণপোষণ করে না। কিন্তু রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কীভাবে বৃদ্ধ পিতা-মাতার পাশে দাঁড়ানো যায়, কীভাবে তাদের সহযোগিতা করা যায়, এ ব্যাপারে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘কর্মজীবী নারীদের মাতৃত্বকালীন ছুটিটাকে আমরা বেতনসহ ছুটিতে নিয়ে আসতে চাই। কর্মজীবী নারীদের সন্তানদের সুরক্ষায় ডে কেয়ার ও কর্মস্থলে ব্রেস্ট ফিডিং জোন করা হবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমিকভাবে শিশুশ্রম বন্ধ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ করতে চাই। এটা পর্যায়ক্রমে, একবারে নয়। বিভিন্ন জায়গায় আমরা ফ্রি ওয়াইফাই করে দিতে চাই। ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব করা হবে। প্রথমে প্রাইমারি স্কুল এবং পরে সেকেন্ডারি স্কুলে যত টিচার আছেন তাদের পর্যায়ক্রমিকভাবে একটি ট্যাবের আন্ডারে নিয়ে আসতে চাইছি।’
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশে ২০ কোটি মানুষ। ২০ কোটি মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া অনেক খরচের ব্যাপার। কিন্তু তার আগে যদি আমরা কাজ করি, যেটা এখন ইউরোপে তারা করছে। আমরা যদি প্রথমে একটা মানুষকে অসুস্থ হওয়া থেকে বাঁচাতে পারি, তাহলে সে মানুষ আর হাসপাতালে যাচ্ছে না। হাসপাতালে না গেলে, হাসপাতালের ওপর চাপটা কম পড়ছে। এ কাজটা করার জন্য আমরা সারা দেশে প্রায় এক লাখের মতো স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দিতে চাচ্ছি। যাদের অধিকাংশ হবেন নারী।’





