তৃণমূল থেকে মেধাবী খেলোয়াড় তুলে আনতে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে দেশের বৃহত্তম ক্রীড়া অন্বেষণ কর্মসূচি নতুন কুড়ি স্পোর্টস। বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা উচিয়ে ধরতে সেরা ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করার মহামিশন যুব এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। সেই মহাযজ্ঞে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৭৯ জন কিশোর-কিশোরী। এর মধ্যে আবেদনকারীর দিক দিয়ে শীর্ষে আছে সিলেট বিভাগ।
ক্রিকেট, ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, দাবাসহ মোট আটটি ডিসিপ্লিন দিয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের যাত্রা শুরু হলেও ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে। বুধবার এনএসসিতে সংবাদ সম্মেলনে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেটসহ মোট দশটি অঞ্চলে চলবে বাছাই কার্যক্রম।
আরও পড়ুন:
আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা আশা করছি, জুনের ভেতরেই, আমাদের নতুন অর্থ বছরের আগে ইনশাল্লাহ আমরা এই টুর্নামেন্টটি শেষ করবো।’
মাসখানেকের এই খেলা শেষে চূড়ান্ত বাছাইপর্ব শেষে মেধাবী খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়াবৃত্তির পাশাপাশি অ্যাথলেটদের বিকেএসপিতে রেখে ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কথা জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘ঢাকার যে বিকেএসপি, সেটা অত্যন্ত সচল আপনারা সবাই জানেন এবং এখানে স্বয়ংসম্পূর্ণ সবকিছু রয়েছে। কিন্তু আমার অন্যান্য বিকেএসপিগুলোতে আসলে এখন পর্যন্ত সেইভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হয়নি। এরইমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যে এর ভেতরে আমরা বিভাগীয় শহরগুলোতে যেসব সুযোগ-সুবিধা দরকার সেগুলো নিশ্চিত করে। যেমন চট্টগ্রাম থেকে কোনো প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে আমরা ঢাকায় এনে রাখতে চাই না। আমরা চাই সে চট্টগ্রামেই থাকবে। যাতে তার পরিবার এবং তার যে যাতায়াত তার সবকিছু যাতে সুযোগ-সুবিধা সে নিশ্চিত করতে পারে এলাকাভিত্তিক থেকেই।’
৪৯৫ জন ক্রীড়া অফিসারের মাধ্যমে সারা দেশে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানান আমিনুল হক। এই পরিকল্পনাকে সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে নিয়োগ দেয়া হবে ক্রীড়া শিক্ষকও।





