২০০৬ সালে দুঃখভরা রাত- যেখানে শিরোপা ছুঁয়েও ছুঁতে পারেনি আর্সেনাল। তারপর কেটে গেছে দীর্ঘ দুই দশক।
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এর ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্সেনাল। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে সেমিফাইনালে জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে মিকেল আর্তেতার দল।
এই মৌসুমে নতুন রূপে আবির্ভাব লন্ডনের ক্লাবটির। তরুণদের দাপট, নিখুঁত কৌশল আর দারুণ টিম স্পিরিটে একে একে তারা হারিয়েছে ইউরোপের বড় বড় প্রতিপক্ষকে।
আরও পড়ুন:
এমিরেটস স্টেডিয়ামে দারুণ এক উত্তেজনাপূর্ণ রাতে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে আর্সেনাল। এই জয়ের নায়ক ক্লাবেরই অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা ‘স্টার বয়’ বুকায়ো সাকা। ম্যাচের ৪৫ মিনিটে লিয়ান্দ্রো ত্রসার্দের শট ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাক। কিন্তু ফিরতি বলে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন সাকা। এ একমাত্র গোলেই দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে থেকে ফাইনাল নিশ্চিত করে গানার্সরা।
তবে এ গোলের পেছনে রয়েছে অবিশ্বাস্য এক লড়াইয়ের গল্প। ইনজুরিতে জর্জরিত থাকা সাকা মাঠে নামেন প্রবল শারীরিক যন্ত্রণা নিয়েই। আর্সেনাল কিংবদন্তি থিয়েরি অরি জানান, এ ম্যাচকে দলের জন্য জীবন-মরণের লড়াই হিসেবে নিয়েছিলেন সাকা।
ম্যাচ শেষে কোচ মিকেল আর্তেতা বলেন, এই গোল করার জন্য বিশেষ কাউকেই দরকার ছিল, আর সাকা আমাদের জন্য সত্যিই বিশেষ। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই আর্সেনালের রক্ষণ ছিল দুর্ভেদ্য। প্রতিপক্ষের তারকা আক্রমণভাগকেও আটকে দিয়েছে গানার্সদের ডিফেন্স।
এবার তাদের লক্ষ্য একটাই ইউরোপ সেরা হওয়ার স্বপ্নপূরণ। আগামী ৩০ মে ফাইনালে আর্সেনালের প্রতিপক্ষ প্যারিস সেইন্ট জার্মেই বা বায়ার্ন মিউনিখ।





