অ্যাডহক কমিটিতেই চলছে সব ফেডারেশন; নির্বাচনের খবর নেই ২৪টিতে

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ
এখন মাঠে
0

কোথাও কোথাও অ্যাডহক কমিটি দেয়ার পর নির্বাচনের খোঁজ নেই। আবার কোনো কোনো জায়গায় আগের অ্যাডহক কমিটিই চলছে নিজেদের মতো করে। এখন টিভিতে খবর প্রকাশের পর ২৭ ফেডারেশনে নির্বাচন আয়োজনে কিছুটা তৎপরতা দেখা গেলেও খোঁজ নেই আরও ২৪ ফেডারেশনের। যদিও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পরিচালক বলছেন, দ্রুতই পরিবর্তন দেখা যাবে সেসব ফেডারেশনেও।

২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবরেই নির্দেশ এসেছিল ফেডারেশনগুলোতে নির্বাচন আয়োজনের। সার্চ কমিটির মাধ্যমে গঠিত অ্যাডহক কমিটিগুলোকে নতুন নেতৃত্ব আনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের দেড়বছর সময়কালে কোনো উদ্যোগই নেননি ফেডারেশনের দায়িত্বপ্রাপ্তরা। বরং নিজেদের মতো করেই সময় পার করেছেন তারা।

২০১৩ সালে তৈরি করা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাচন নীতিমালাতেও সুস্পষ্ট কোনো বিধান না থাকায় অনেকটা স্বেচ্ছাচারিতা চলছে ফেডারেশনগুলোতে। নির্বাচনের বিধিমালা লেখা থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে নির্বাচন আবশ্যক ফেডারেশনে, তার কোনো উল্লেখই নেই এতে। যার সুবিধা নিচ্ছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্রীড়া সংগঠকরা। বিশেষ করে জুলাই মাসে যেসব ফেডারেশনে নতুন অ্যাডহক কমিটি আসেনি, তাদের কার্যক্রম একেবারেই চোখের আড়ালে থেকে গেছে।

যদিও এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক জাহিদ পারভেজ বললেন, বাদ পড়া ফেডারেশনেও দ্রুতই আনা হবে নতুন মুখ।

জাহিদ পারভেজ বলেন, ‘ফেডারেশনগুলোরও আমাদের নতুন অ্যাডহক কমিটি আমরা করে দেবো। ওরা যেদিন থেকে দায়িত্ব পাবে, সেদিন থেকে তাদের জন্য তিন মাস নির্ধারণ থাকবে। এ কার্যক্রম আমাদের চলমান আছে। ইমিডিয়েট আপনারা দৃশ্যমান দেখতে পাবেন, কিছু কমিটি আবার নতুন করে আসছে। জেলা-উপজেলার কমিটিতে অলরেডি অ্যাডহক কমিটি প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে। আমরা অলরেডি চিঠিও দিয়েছি প্রত্যেকটা জেলা-উপজেলাকে যাতে তাদের নির্বাচনের জন্য দ্রুত কার্যক্রম শুরু করে।’

তবে স্থবির হয়ে থাকা ক্রীড়াঙ্গনে কবে নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে, সেই অনুমানও জানা নেই রাষ্ট্রীয় পদে থাকা সাবেক এ ফুটবলারের।

জেআর