প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে নতুন সাজে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম। প্রস্তুত করা হচ্ছে মঞ্চ ও গ্যালারি। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তদারকিতে ব্যস্ত জেলা প্রশাসন, ক্রীড়া সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর) দুপুরে এই স্টেডিয়ামেই ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় পর্ব উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠানে অংশ নেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে চার হাজার শিশু-কিশোর। প্রতিভা অন্বেষণের এই আয়োজন থেকে উঠে আসবে আগামী দিনের ক্রীড়াবিদ—এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করতে সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ।
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা আমাদের সব রকমের কাজ শেষ করেছি।’
আরও পড়ুন
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে খুলনা নগরজুড়ে। সরানো হয়েছে ব্যানার-পোস্টার, দেয়ালে দেয়ালে স্থান পেয়েছে গ্রাফিতি। নগরীর ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নেয়া হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ব্যানার-পোস্টার আর গ্রাফিতির মাধ্যমে আমরা আমাদের ঐতিহ্য তুলে ধরেছি প্রধানমন্ত্রীর আগম উপলক্ষে।’
সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে মোংলার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১০টায় মোংলা বন্দরে পৌঁছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এরপর মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় দুটি আধুনিক কনটেইনার জেটি নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পরে খানজাহান আলীর মাজার জিয়ারত শেষে যাবেন খুলনায়।
খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘মোংলা হয়ে উনি খানজান আলি মাজার জিয়ারত করে তিনি খুলনায় আসবেন।’
মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের উদ্যোগ—দুই কর্মসূচিকে ঘিরেই এখন দৃষ্টি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি হবে নতুন সম্ভাবনা।





