আবুধাবিতে চতুর্থ ইনিংসে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমেছিল আফগানিস্তান। জয়ের জন্য ৪৭৯ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়ায় চতুর্থ দিনেই ৩ উইকেটে ১৩২ রান তুলেছিল রহমত শাহর দল।
তবে পঞ্চম ও শেষ দিনে পুরো লাইমলাইটে ছিলেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল। বাংলাদেশের বোলারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়ে ৩৩২ বল খেলে তুলে নেন তার টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম শতক।
সকালে ইনজুরিতে পড়ে হাসমতউল্লাহ শহিদি মাঠ ছাড়লেও, ইকরাম আলিখিলকে নিয়ে গড়া জুটি এবং পরবর্তীতে লেজের সারির ব্যাটারদের মাটি কামড়ে পড়ে থাকা ব্যাটিং বাংলাদেশের জয়ের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
আরও পড়ুন: ৯ হাজার রানের মাইলফলকে লিটন
ইসমত আলম ও ইয়ামিন আহমদজাইদের প্রতিরোধ এবং শেষ দিকে কাইস আহমেদের ৪০ বলে অপরাজিত ৪৯ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ১৪২ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান করে দিন শেষ করে আফগানিস্তান।
বাংলাদেশের পক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজ ও এবাদত হোসেন শিকার করেন ৩টি করে উইকেট । আর তাইজুল নিয়েছেন ১টি।
লিটন দাসের উইকেটের পেছনের একটি দুর্দান্ত ক্যাচ এবং মেহেদী মিরাজের ঘূর্ণি জয়ের আশা জাগালেও, শেষ পর্যন্ত ক্যাচ রান আউটের সুযোগ হাতছাড়া করায় কাঙ্ক্ষিত জয় অধরাই থেকে যায় নাজমুল হোসেন শান্তর দলের।
প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে লিটন দাসের শতক ও মিরাজের ফিফটিতে বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিলেও, শেষ পর্যন্ত জয় না পাওয়ার আক্ষেপের এই ম্যাচে প্রাপ্তির যায়গা ছন্দে ফেরা লিটনের ম্যাচ সেরা হওয়া।





