সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কখনো ঝিরিঝিরি, কখনো ভারী বৃষ্টি। আর তাতে গ্রিন গ্যালারি এখন আরও প্রাণবন্ত। তাই ম্যাচ শুরুর আগে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে প্রকৃতি। তবে মাঠের ভেতরে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। কারণ বাংলাদেশ-পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ এ টেস্টের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ এখন বৃষ্টি।
দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমও বলছেন, পাকিস্তানের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ বৃষ্টি। তবে রাতভর বৃষ্টি হলেও সিলেট স্টেডিয়ামের আউটফিল্ড ও দ্রুত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখছেন তিনি।
মুশফিকুর রহিম বলেন, ‘মিরপুরের মতো এখানেও ড্রেনেজ সিস্টেম বিশ্বমানের, আমরা সম্প্রতি যে বিসিএলের ম্যাচ খেলেছি, চারটি দিনেই রাতভর যে বৃষ্টি হয়েছে, তারপরও সাড়ে ৯টা থেকে প্রতি দিন খেলা শুরু হয়েছে, যদি দিনে বৃষ্টি না হয়। আমি মনে করি এখানে অন অ্যান্ড অফ হলেও হতে পারে, তবে যেহেতু ড্রেনেজ সিস্টেম ভালো, যদি আবহাওয়াটা একটু ভালো হয়, আমরা মনে করি যে এখান থেকেও রেজাল্ট নেয়া সম্ভব। আমাদের চেষ্টা থাকবে, খেলা যতটুকুই হোক সেখানে যাতে একটা পজিটিভ ইম্প্যাক্ট আমরা রাখতে পারি।’
আরও পড়ুন:
বৃষ্টি বাধা পেরিয়ে খেলা হবে বলে আশা স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকরদের। তাদের মতে, সিলেট স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা দেশের অন্যতম সেরা। ফলে টানা বৃষ্টি হলেও খেলা চালিয়ে নেয়া সম্ভব।
সিলেট ডিভিশনাল ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ওয়াশিকুজ্জামান অনি বলেন, ‘বৃষ্টি হলে একটু ইন্টারাপ্টেড হবে, হয়তো আমরা কয়েকটা সেশন হারাতে পারি- সেই সম্ভাবনা আছে। তবে যতই বৃষ্টি হোক, এই মাঠে যে ড্রেনেজ ব্যাবস্থা আছে, তাতে আমার মনে হয় কোনো সমস্যা হবে না।’
সিলেট টেস্টে হার এড়ালেই প্রথমবার ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজ জয়ের সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। ইতিহাস গড়ার পথে বৃষ্টি ঠিক কতখানি বাগড়া দেবে টেস্ট সৌন্দর্য্যে— সেটাই বড় প্রশ্ন। আবহাওয়ার পূর্বাভাসও বলছে, আগামী পাঁচ দিনই অন্তত ৮০ শতাংশের বেশি বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে সিলেটে।





