পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ: সাবেক ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাস, প্রথম সিরিজেই সফল নির্বাচক নাঈম

বাংলাদেশ টেস্ট দল
ক্রিকেট
এখন মাঠে
0

ঘরের মাঠে প্রথমবার পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করায় উচ্ছ্বসিত দেশের সাবেক ক্রিকেটাররা। প্রথমবার নির্বাচক হয়েই সাফল্য পেয়েছেন নাঈম ইসলাম। বাড়তি তৃপ্তি শোনা গেল তার কণ্ঠে। প্রত্যাশা অ্যাওয়ে সিরিজেও ভালো করবে এই টেস্ট দল। আর এহসানুল হক সেজান বলছেন, ধারাবাহিক পরিশ্রমের সফল এ জয়।

আরও একবার পাকিস্তানকে পেয়ে জ্বলে উঠলেন লিটন দাস এবং মুশফিকুর রহিম। সিলেটের পিচে তাইজুল ইসলাম দেখালেন নিজের বাঁহাতি স্পিনের জাদু। লিটন এবং মুশফিক পেয়েছেন সেঞ্চুরি আর তাইজুল পেয়েছেন ক্যারিয়ারের ১৮তম ফাইফার। আর তাতেই সিলেট টেস্টে ৭৮ রানের জয় ধরা দিলো বাংলাদেশের জন্য।

এ সিরিজ দিয়েই পরিপূর্ণভাবে নিজের নির্বাচক ক্যারিয়ার শুরু করেছেন নাঈম ইসলাম। নিজেদের প্রথম সিরিজেই সফল হয়ে আত্মতৃপ্তি ঝরলো নির্বাচক নাইম ইসলামের কণ্ঠে। সাবেক ক্রিকেটার এহসানুল হক সেজানও উচ্ছ্বসিত এমন এক জয়ে।

জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক রাঈম ইসলাম বলেন, ‘এখন আপনার নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজ চলে, তার তখন থেকেও ওদের প্রিপারেশন চলতেছে এই পাকিস্তান টেস্টে। প্লেয়ার, ম্যানেজমেন্ট যারা ছিলো, খুব অর্গানাইজ ছিলো, খুব হার্ড ওয়ার্কিং ছিল। আর এরপর মাঠের অ্যাপ্লিকেশন ভালো ছিল এবং হার্ড ওয়ার্কের ফলটা আমরা পেয়েছি।’

আরও পড়ুন:

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার এহসানুল হক সেজান বলেন, ‘একটা সময় ছিলাম যে আমরা হারবো কি হারবো না, বা টেস্ট ড্র করতে পারব কি না। দ্যাট ওয়াজ আমাদের একটা সিকিউর করার ব্যাপার ছিলো। বা এখন আমরা আমাদের স্টেপস করি। আর স্টেপসটা দিচ্ছি হলো ম্যাচটা জেতার জন্য।’

ঘরের মাঠে দুর্দান্ত জয়ের পর বাংলাদেশের সামনে আছে কঠিন অ্যাওয়ে সূচি। দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট বিশ্বের যেকোনো দেশের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ। সাবেক ক্রিকেটার সেজান বিশ্বাস করেন ভালো করার সুযোগ আছে সেখানেও। তবে সেজন্য ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের চেয়ে দলীয় অবদান মুখ্য।

তিনি বলেন, ‘যেসব উইকেটে আমরা খেলবো, সেই সব উইকেটে কি আমাদের স্পিন ডিপার্টমেন্ট বেশি কার্যকর হবে, না পেস ডিপার্টমেন্ট কার্যকর হবে? সেটা আসলে একটা বড় ফ্যাক্ট। যদি পেস ডিপার্টমেন্ট ওখানে মানে মোটেই ডমিনেট করতে পারে, তাহলে না আমাদের যে তিন-চারজন পেস বোলার রয়েছে, বিশেষ করে নাহিদ রানা, শরিফুল, তাসকিন এদের ওপরেই কিন্তু আসলে মেইন ফোকাস। মেইন উইপেন কিন্তু তারা। চ্যালেঞ্জিং যে পার্টটা সেটা হলো যে, স্পিন ডিপার্টমেন্ট ওইসব উইকেটে যেয়ে কতটুকু পর্যন্ত সারভাইভ করতে পারে? আমি বলবো না ডমিনেট করতে পারে, কতটুক পর্যন্ত সারভাইভ করতে পারে, সেটাই ইম্পরট্যান্ট।’

এই সিরিজ জয়ের পর র‌্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় ভারতকে পেছনে ফেলে পাঁচে উঠে এসেছে টাইগাররা। সেই সঙ্গে টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবার ৭ নম্বরে উঠে এসেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

এফএস