এ হার থেকে আমাদের লার্নিংয়ের অনেক জায়গা আছে: অধিনায়ক শান্ত

বাংলাদেশ টেস্ট দল
ক্রিকেট
এখন মাঠে
0

পাঁচ বছর পর জিম্বাবুয়ের মাটিতে টেস্ট খেলতে গিয়ে মাত্র তিন দিনের মধ্যেই ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে টিম বাংলাদেশ হারার পর এ থেকে লার্নিংয়ের আমাদের দলের অনেক জায়গা আছে বলে জানিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল শান্ত।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হার। ব্যাটিং ব্যর্থতায় আবারও মুখ থুবড়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় জানালেও, সেই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন ক্রিকেট সমর্থকরা। বারবার একই কথা শোনা গেলেও, মাঠের চিত্র বদলাচ্ছে না।

ব্যর্থতার গল্পটা যেন পুরোনো। শুরুতেই ব্যাটিং ধস, দায়িত্বজ্ঞানহীন শট, বড় জুটি গড়তে না পারা সব মিলিয়ে প্রতিপক্ষের সামনে আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘আমার মনে হয় প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংটাতে আমরা পেছনে পড়ে গেছি। প্রথম ইনিংসে খুবই ডিসঅ্যাপয়েন্টিং ছিলো আর আমরা পুরা ব্যাটিং ইউনিটটা ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। ইভেন আমার মনে হয় বোলিংটাও আমরা যখন করি, ফার্স্ট ইনিংসে বোলিংটাও আমরা খুব ভালো যে বোলিং করছি তা না। ওভারঅল আমার মনে হয় ফার্স্ট ইনিংসের ব্যাটিং এবং বোলিংয়ের কারণেই আমরা এ ম্যাচটা এত খারাপ ক্রিকেট খেলেছি।’

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, দল ভুল থেকে শিক্ষা নেবে, সামনে ভালো করার চেষ্টা করবে।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘এখান থেকে আমাদের লার্নিংয়ের অনেক জায়গা আছে। সামনে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ আছে। সো এ কন্ডিশনে আসলে কীভাবে ব্যাটিং করতে হয় বা কীভাবে বোলিং করতে হয়, এটা আমাদের হয়তো সামনের দিকে কাজে আসবে এবং ওই অনুযায়ী আমরা প্রিপারেশনটা নিতে পারব।’

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এ ‘চেষ্টা করব’ আর 'শিক্ষা নেব' এসব কথা কতদিন? বাস্তবতা হলো, একই ভুলের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে সিরিজের পর সিরিজ। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা, মিডল অর্ডারের দায়িত্বহীনতা আর লড়াইয়ের মানসিকতার অভাব এখন নিয়মিত দৃশ্য।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারের পর বাংলাদেশ ক্রিকেটে এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আত্মসমালোচনা এবং জবাবদিহি। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিশ্রুতি নয়, স্কোরবোর্ডই শেষ কথা বলে। তাই পারফরম্যান্স দিয়েই ক্রিকেটারদের নিজেদের প্রমাণ করা জরুরী।

জেআর