সিডনির ওয়েস্টার্ন স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ–প্রতি আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। চতুর্থ মিনিটে চীনের লি জিংয়ের ভলি অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে যায়। ষষ্ঠ মিনিটে তার আরেকটি প্রচেষ্টা সহজেই তালুবন্দী করেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি আক্তার।
১২ মিনিটে চীনের তারকা ওয়াং শুয়াংয়ের বাঁ পায়ের জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন মিলি। দুই মিনিট পরই আসে বাংলাদেশের সেরা সুযোগ। মারিয়া মান্দার লং পাস ধরে বাঁ প্রান্ত দিয়ে উঠে যান ঋতুপর্ণা চাকমা।
চীনের অধিনায়ক উ হাইয়ানকে কাটিয়ে এগিয়ে গিয়ে দূরপাল্লার শটে গোলের চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু গোলরক্ষক চেন চেন অবিশ্বাস্য সেভে সেই সম্ভাবনা নস্যাৎ করে দেন। সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় হতাশায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ঋতুপর্ণা।
২৪ মিনিটে চীন গোলের উচ্ছ্বাসে মাতলেও প্রায় পাঁচ মিনিট ভিএআর পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে পায় বাংলাদেশ শিবির।
তবে প্রথমার্ধের শেষভাগে ভেঙে পড়ে প্রতিরোধ। ৪৪ মিনিটে ওয়াং শুয়াংয়ের দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে এগিয়ে যায় চীন। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ঝাং রুইয়ের রিবাউন্ড শট আফঈদা খন্দকারের পায়ে লেগে জালে জড়িয়ে গেলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।
স্কোরলাইনে পিছিয়ে থাকলেও প্রথমার্ধে বাংলাদেশের সাহসী ও সংগঠিত ফুটবল আশা জাগিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েই মাঠে নামবেন ঋতুপর্ণারা।





