সাফজয়ী ফুটবলারদের ক্রীড়া কার্ডের সামাজিক সুবিধায় অন্তর্ভুক্ত

সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা
ফুটবল
এখন মাঠে
0

ক্রীড়া ভাতার জন্য এখনো কিছু ফেডারেশন তাদের খেলোয়াড় তালিকা দেয়নি বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। একইদিনে সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলকেও ক্রীড়া কার্ডের সামাজিক সুবিধার অন্তর্ভুক্ত করেছে মন্ত্রণালয়। জানিয়েছেন, খুব দ্রুতই ট্রফি তুলে দেয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি মেনে দেশের ১২৯ ক্রীড়াবিদের হাতে এরই মধ্যে ক্রীড়া ভাতার কার্ড তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাতার আওতায় আসবেন আরও ৩ শতাধিক ক্রীড়াবিদ। তবে, এখন পর্যন্ত সবার তালিকা বুঝে পায়নি মন্ত্রণালয়।

গত রোববার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসের আলোচনায় বক্তব্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফেডারেশনগুলোকে দ্রুত জাতীয় খেলোয়াড়দের তালিকা প্রদানের আহ্বান জানান।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘অনেক ফেডারেশনের কাছে নামের তালিকা চেয়েছি। অনেকেই দিছেন অনেকেই দেননি। আমি আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করবো যারা বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করছে যারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে আমরা সেই ক্রীড়াবিদের তালিকাভুক্ত করতে চাই।’

আরও পড়ুন:

একইদিনে সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ দলের সবাইকে এক লাখ টাকার চেক প্রদান করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। জানান, দলের ইচ্ছে অনুযায়ী খুব দ্রুতই প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হবে সাফ ট্রফি।

তিনি বলেন, ‘আমরা খুব দ্রুতই প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ট্রফি তুলে দেব। টিমের মধ্যে ঐক্য থাকলে, সহনশীলতা থাকলে যে কোনো বাধা আমরা অতিক্রম করতে পারবো। আমরা বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো।’

এদিকে খেলোয়াড়দের এমন সুবিধার আওতায় আনায় সন্তুষ্ট বাফুফের সহ-সভাপতি নাসির শাহরিয়ার জাহেদী ও সাফজয়ী দলের অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী বলেন, ‘আমরা আশা করি তিনি ভালো কিছু আমাদের উপহার দেবে। এরই মধ্যে ডেভেলপমেন্ট কমিটি আমাদের পুরস্কৃত করা হয়েছে।’

বাফুফে ডেভেলপমেন্ট কমিটি চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেন, ‘আমাদের কাজ হলো এ পৃষ্ঠপোষকতাকে সফলভাবে কাজে লাগিয়ে দেশের ক্রীড়া পরিবেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’

সাফজয়ী দলের সবাইকে একইদিনে তুলে দেয়া হয়েছে ক্রীড়া কার্ড। যার মাধ্যমে সামাজিক সুবিধা পাবেন দেশকে সাফ শিরোপা এনে দেয়া ফুটবলাররা।

হাইকোর্টের বিচার কাজ চলবে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল পৌনে চারটা পর্যন্ত আর অফিস ৯টা থেকে বিকেল ৪টা

এফএস