ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে মণিপাল হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ড. শেখর সালকার জানান, টানা ৪৫ মিনিট সিপিআর (কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দন ফেরানোর চেষ্টা) দেয়া হলেও তাকে আর ফেরানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নানা পাটেকারকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাকে সিপিআর দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা চালান; তবে সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়। পরে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। তার ছেলে মালহার পাটেকার তখন পুনেতে ছিলেন। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি গোয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।
তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নানা পাটেকার হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন। ‘নাটসম্রাট’, ‘ওয়াজুদ’, ‘পরিন্দা’, ‘আব তক ছাপ্পান’ ও ‘যশবন্ত’-এর মতো সিনেমায় তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।
১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তাঁর। পরে ‘শক্তি: দ্য পাওয়ার’ (২০০২), ‘আব তক ছাপ্পান’ (২০০৪), ‘অপহরণ’ (২০০৫) ও ‘ট্যাক্সি নম্বর ৯২১১’ (২০০৬)-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা পান।
এ ছাড়া ‘ওয়েলকাম’ (২০০৭) ও এর সিক্যুয়েল ‘ওয়েলকাম ব্যাক’ (২০১৫)-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে অভিনয় করে ভিন্নধর্মী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।





