বরগুনায় নিখোঁজের দু’দিন পর যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের ভিড়
এখন জনপদে
অপরাধ
1

বরগুনা সদর উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর মো. শিপন হাওলাদার (২৫) নামের এক যুবকের বস্তাবন্দি অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ (সোমবার, ১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের আমড়াঝুড়ি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ও থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত শিপন হাওলাদার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আমড়াঝুড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. সোহরাব হাওলাদারের ছেলে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিপন হাওলাদার বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর তিনি ঘরে ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

নিখোঁজের দু’দিন পর আজ দুপুরে নিজ বসতঘরের দক্ষিণ পাশের বেড়ার কাছে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। বস্তা থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সন্দেহ হলে তারা পুলিশে খবর দেন।

আরও পড়ুন:

খবর পেয়ে বরগুনা সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিপনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, যুবকটিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গুম করার উদ্দেশে বস্তাবন্দি করে ঘরের পাশে ফেলে রাখা হয়েছিলো।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। নিহতের পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম। পরিবারের একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে স্তব্ধ স্বজনরা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে থানা সূত্রে জানা যায়।

এসএইচ