মোটরসাইকেল আরোহীরা জানান, নির্ধারিত এ সীমার কারণে তাদের দৈনন্দিন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেকেই অভিযোগ করেন, বারবার পাম্পে গিয়ে অল্প অল্প করে জ্বালানি নিতে হচ্ছে, যা সময়সাপেক্ষ এবং কষ্টকর।
এদিকে প্রাইভেটকার চালকরাও বলছেন, একবারে পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় দীর্ঘ পথে যাতায়াতে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।
অন্যদিকে, পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়েই সীমিত পরিমাণে জ্বালানি বিতরণ করতে হচ্ছে। তারা বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন:
এ অবস্থায় দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অন্যথায় জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইলের মেঘনা ডিপোর ইনচার্জ মাহবুবুর রহমানের যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এখন সপ্তাহে সাত দিনই ডিপো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। আমাদেরকে যেই পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেয়া হচ্ছে সেইটাই দিচ্ছি আমরা।’





