পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জুলহাস হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। ৬ এপ্রিল রাতে বিকাশে টাকা পাঠানোর কথা বলে জুলহাস জুসনের রিকশা ভাড়া করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করে। একপর্যায়ে ভাড়া নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। জুসন ভাড়া বাবদ ৮০০ টাকা দাবি করলে জুলহাস ২০০ টাকা দিতে চায়। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে জুসন তাকে রিকশা থেকে ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয়।
পরে বেশি ভাড়া দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আবারও জুসনকে রিকশায় ওঠায় জুলহাস। এরপর বার্থা এলাকায় নিয়ে ইট দিয়ে মাথায় একাধিক আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ পাশের ঝোপে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর জুলহাসকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনাও দেয় বলে জানায় পুলিশ।
আরও পড়ুন:
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন বলেন, 'রিকশাচালক জুসন হত্যা মামলার মূল আসামি জুলহাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।'
উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে বার্থা গ্রামের রাস্তার পাশের একটি ঝোপের নিচ থেকে জুসনের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।





