চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত তিন মাস ধরে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। যার বড় একটা অংশ ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী। এদের অনেকেই এখনো পূর্ণ টিকাদান কর্মসূচিতে আসেনি। ফলে এই বয়সী শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।
রোগীর স্বজনরা জানান, চিকিৎসা চালু হওয়ার পর আপাতত একটু সুস্থ। অনেক ছটফটে ছিল। হাম হয়ে গেছে, জ্বর হয়ে গেছে, মুখে ঘা, চোখ ওঠার মতো লাল হয়ে গেছে।
হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেড না থাকায় মেঝেতে ঠাঁই হয়েছে রোগীদের। চিকিৎসা নিতে হচ্ছে সিঁড়িতেও। এছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের।
রোগীর স্বজনরা জানান, সিঁড়ির ওপরে-নিচে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। বেড পেলে বেশি ভালো হতো।
আরও পড়ুন:
টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান চিকিৎসকদের। অন্যদিকে, সিভিল সার্জনের দাবি-সংক্রমণ রুখতে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আব্দুস সামাদ বলেন, ‘আমরা কয়েকজন ডাক্তার— বিভাগীয় পর্যায় থেকে দুইজন ডাক্তার এবং জেলা পর্যায় থেকে তিনজন ডাক্তার মোট পাঁচজন ডাক্তার আমরা পেয়েছি। আমরা অতিরিক্ত ডাক্তার আমরা হাম আইসোলেশনে আমরা অলরেডি পদায়ন করেছি। আমরা ইভনিং এবং নাইট ডাক্তার গত সপ্তাহ থেকে আমরা চালু করেছি।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন বলেন, ‘এই পর্যন্ত প্রায় কাভারেজ প্রায় ৮৭ শতাংশ মতো হয়েছে এবং আশা করা যাচ্ছে যে দুই-তিন সপ্তাহের ভিতরে এই ট্রান্সমিশন হারটা ইনশাআল্লাহ কমে আসবে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত তিন মাসে হামে আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। এসময় জেলার ৫টি উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে দেড় লাখেরও বেশি শিশুকে।





