আহতরা হলো— দ্বিতীয় শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী প্রাঞ্জল ও জাহানারা। আহত অন্যদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পরে আহত শিক্ষার্থীদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুলটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. মশিউর রেজা সজীব বলেন, ‘প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে স্কুল পরিদর্শনে এসেছিলাম। ক্লাস রুমে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ওপর থেকে সিলিং ফ্যানটা খুলে পড়লো। তবে ভাগ্য ভালো কারও মাথায় পড়েনি। মাথায় পড়লে হয়তো বড় ধরনের ক্ষতি হতো। তারপরেও অন্তত পাঁচজন শিশু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।’
আরও পড়ুন:
আরেক প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি আবু জাফর বলেন, ‘স্কুলের প্রধান শিক্ষকের আমন্ত্রণে স্কুলে এসেছিলাম। আসার পর এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। সে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে। বর্তমানে স্কুলের ভবনটির জরাজীর্ণ অবস্থা। জরুরিভিত্তিতে এই স্কুলের জন্য একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা প্রয়োজন।’
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা আহমেদ বলেন, ‘ক্লাস চলাকালিন সময় সিলিং ফ্যানটি খুলে নিচে পড়ে যায়। অনেক দিন ধরেই স্কুলের ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। জরাজীর্ণ অবস্থার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা নতুন ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন করেছি।’
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌসী বেগম বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





