নিহতদের মধ্যে একজনের নাম জানা গেছে। তার নাম মো. মোরছালিন (২২)। তিনি কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর বাতানবাড়ি এলাকার হেবজু মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহতরা চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
নিহত মোরছালিনের পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে স্থানীয় কয়েকজন এসে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে সীমান্তে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর সীমান্তের ভারত অংশে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি করে।
এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় মোরছালিন। পরে তার মরদেহ ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ সদস্যরা।
আরও পড়ুন:
বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. এম. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল রাতে আনুমানিক ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারী ভারতীয় চোরাকারবারীদের সহায়তায় চোরাচালানের উদ্দেশে ধজনগর সীমান্ত দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে যায়। পরবর্তীতে চোরাচালানি মালামাল নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের পাথারিয়াদ্বার ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাদের বাধা দিলে চোরাকারবারিরা বিএসএফ সদস্যদের ওপর চড়াও হয়।’
তিনি বলেন, ‘এসময় বিএসএফ সদস্যর সঙ্গে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে বিএসএফ সদস্য চোরাকারবারিদের ওপর গুলি চালায়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি চোরাকারবারি মো. মোরছালিন ও আরেক চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভারতের হাসপাতালে মারা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএসএফ কমান্ডেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত আনার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় বিএসএফকে প্রটেস্ট নোট পাঠানোসহ পতাকা বৈঠকের প্রক্রিয়া চলছে।’





