আজ (শনিবার, ১১ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় সরকার শাখার (ভারপ্রাপ্ত) উপ-পরিচালক মো. মতিউর রহমান খান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এমন অবস্থায় পৌর সভার সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছুটি বাতিল করার পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য একটি কন্ট্রোলরুম চালু করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার শাখার (ভারপ্রাপ্ত) উপ-পরিচালক বলেন, ‘সুনামগঞ্জে বন্যার শঙ্কা রয়েছে। ফলে পৌরসভার সকলের ছুটি বাতিলের পাশাপাশি একটি কন্টোল রুম চালু হয়েছে। যেখানে ০১৭১৬৩৮৮৩৮২ এই নাম্বার কল দিলেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া হবে।’
আরও পড়ুন:
এদিকে সুনামগঞ্জে কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ এমদাদুল হক।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে গত ৩ দিন সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটা, বৌলাই ও রক্তিনদীর পানি বাড়তে থাকলে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দিনভর সুনামগঞ্জে বৃষ্টিপাত কম ও পাহাড়ি ঢল কম নামায় শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার সুরমা নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার কমেছে।
এছাড়া কমেছে সীমান্তবর্তী নদ-নদীর পানিও। তবে পানি কমলেও এখনও এই জেলায় বন্যার শঙ্কা কাটেনি।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ এমদাদুল হক বলেন, ‘সুনামগঞ্জে গত কয়েকদিন দ্রুত গতিতে নদীর পানি বাড়লেও গত ২৪ ঘণ্টায় এ অঞ্চলের সুরমা নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার কমেছে। তবে পানি কমলেও এখনও এ জেলায় বন্যার শঙ্কা রয়েছে।’





