নিহতরা হলো; বড়কান্দা গ্রামের শামীম মিয়ার মেয়ে তাবিয়া (১৩), রুবেল মিয়ার মেয়ে আয়েশা (৯) ও রুবেল মিয়ার মেয়ে জান্নাত (৮) এবং বিল্লাল মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া (১০)। নিহতরা সবাই বড়কান্দা এলাকার গাউসিয়া নুরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলো।
নিহতের স্বজনরা জানায়, মাদ্রাসার বিরতির পর একসঙ্গে ছয়জন শিক্ষার্থী পাশের একটি খালে গোসল করতে নামে। ছয়জনের মধ্যে দুইজন পাড়ে এসে স্থানীয়দের জানালে একে একে চার জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এরমধ্যে তিন জনকে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। অপর জনের মরদেহ পারিবারিক জিম্মায় বাড়িতে নেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আশরাফুর রহমান জানান, দুপুর ১টায় তিন জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের কারোরই শ্বাস, হার্টবিট পাওয়া যাচ্ছিলোনা।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অপারেশন) নাজমুল হাসান বলেন, ‘পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনায় তিন শিশুর মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। আরও দুই শিশুকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে এবং এক শিশু পারিবারিকভাবে বাড়িতে নেয়া হয়েছে বলে শুনেছি। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বেলা চারটার দিকে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে নিহতের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা। তিনি বলেন, ‘স্বজনদের সঙ্গে আমরা এরই মধ্যে কথা বলেছি এবং নিহতের স্বজনদেরকে প্রাথমিকভাবে ২০ হাজার করে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা দেয়া হয়েছে।’





