এরই মধ্যে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড়, কোলদিয়াড়, ফয়জুল্লাহপুর ও হাটখোলাপাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় শতাধিক একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, পদ্মা নদীর পাশাপাশি মাথাভাঙ্গা ও হিসনা নদীর পানিও বেড়েছে। গেলো ১৫ থেকে ২০ দিনে পাটসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল হারিয়ে কয়েকশ কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
ভাঙন অব্যাহত থাকায় বসতভিটা ও ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে নদীতীরবর্তী মানুষের। আজ সকালে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা।
আরও পড়ুন:
তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত আরও জিও ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন এবং জরুরি ভিত্তিতে নতুন বরাদ্দের দাবি জানান।
কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর ইসলাম জানিয়েছে, পানি বৃদ্ধির কারণে কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রাক্কলন অনুযায়ী জিও ব্যাগ ফেলার কাজ অব্যাহত রয়েছে।





