আজ (শনিবার, ৮ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু হয়েছে ধ্বংসাবশেষ অপরাসরণ। এদিকে স্থানীয় প্রশাসনসহ জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
জানা যায়, গতকাল (শুক্রবার, ৭ আগস্ট) উরতি মজুমদার প্লাস্টিক পণ্যের দোকানসহ আরও কয়েকটি দোকানের মোট ২৪ জন কর্মচারী দোকানপাট বন্ধ করে নৌকা ভ্রমণে টেকেরঘাট যান। রাতে ফিরে দেখেন অগ্নিকাণ্ডে সব পুড়ে ছাই। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা, নেত্রকোণা পুলিশ বাহিনী ও রেড ক্রিসেন্ট সবাই এসে একযোগে আগুন নেভাতে কাজ করে।
আরও পড়ুন:
৩ ঘণ্টা পর এ আগুনে নিয়ন্ত্রণ আসে। এরপরেও পুড়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাশের কয়েকটি বসতঘরেও আগুন ছড়িয়ে যায়।
এসময় উৎসুক জনতার ভিড়ে আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যসহ ৫ জন আহত হন বলেও জানা যায়।
নেত্রকোণা ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র অফিসার খানে আলম খান জানান, যে দোকানে আগুনের সূত্রপাত সেটি অনেক ভেতরে ছিলো। কী থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা বের করা সম্ভব হয়নি। তবে বৈদ্যুতিক কারণে ঘটেছে বলে ধারণা তাদের।





