নিহত সেলিনা আক্তার আঙ্গারিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী। শিবালয় উপজেলার রুপসা ওয়াহেদ আলী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রতিবেশী রানী রহমান জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার পর সেলিনা আক্তারের বাড়ি থেকে কান্নার শব্দ শুনে তারা সেখানে যান। গিয়ে দেখেন, তার স্বামী ও সন্তানরা মরদেহ নিয়ে কান্নাকাটি করছেন।
এ সময় ঘরের ফ্যানের সঙ্গে কাটা ওড়না ঝুলতে দেখা যায়। পরে স্বজনেরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহার মাহবুব বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।’





