মৃত মাসুদা বেগম ফরিদপুর শহরের আলিপুর এলাকার বাসিন্দা। জ্বর নিয়ে তিনি গত ২৬ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাসুদা বেগম ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।
সিভিল সার্জন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত ১০৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ফরিদপুরে প্রায় ৭০০ জন ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছেন, বর্ষা মৌসুমের পর ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রতিদিনই নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। এ অবস্থায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়িঘর ও আশপাশের জমে থাকা পানি অপসারণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশ মোতাবেক, জেলা প্রশাসন পৌর প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ মিলে যৌথভাবে মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কাজ হাতে নিয়েছি। স্কুল কলেজ এমনকি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ডেঙ্গু সচেতনতা নিয়ে কথাবার্তা বলা হচ্ছে।’
তারপরও তিনি দাবি করে বলেন, ‘শুধু সরকারের উদ্যোগ হলেই চলবে না, একজন আমাদের প্রত্যেক নাগরিকের সচেতন হওয়া দরকার।’





