টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধন ১৪ এপ্রিল; কমবে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য

টাঙ্গাইল
কৃষক কার্ড
কৃষি , গ্রামীণ কৃষি
এখন জনপদে
0

টাঙ্গাইলের কৃষকদের মাঝে হস্তান্তরের মাধ্যমে আগামী ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড উদ্বোধন করা হবে। প্রকৃত কৃষকদের মাঝে কার্ড বিতরণ হলে উপকৃত হবে লাখ লাখ মানুষ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে।

কৃষকদের সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। যাতে বছরে আড়াই হাজার টাকা, ঋণ, ভর্তুকিতে বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবে কৃষক।

চলতি মৌসুমে ১০ বিঘা জমিতে বিভিন্ন ফসলের চাষ করেছেন কৃষক দুলাল মিয়া। তার দাবি, কৃষক কার্ড চালু হলে সাশ্রয়ী মূল্যে সার ও বীজ ক্রয় করে তিনি আরও লাভবান হতে পারবেন। কৃষক দুলাল মিয়া বলেন, ‘যারা মূলত কৃষক তারাই যেন কৃষক কার্ডটি পায়। সে সঙ্গে সঠিক সময় সার বীজ যেন পাওয়া যায়।’

দুলাল মিয়ার মতো হাজারো কৃষক এ কার্ডের সুবিধা পেলে কৃষিতে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি অনেক দিকে লাভবানও হবেন।সঠিক সময় সার, বীজ পাওয়া যাওয়ার পাশাপাশি। কৃষি ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিল যেন সরকার কমায় সে কথাও বলেন স্থানীয় কৃষকরা।

আরও পড়ুন:

কৃষক কার্ড সম্পর্কে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের অবহিত করা জরুরি। প্রকৃত কৃষকদের নামে এ কার্ড হস্তান্তরের দাবি- এ কৃষক নেতার। চৌধুরী মালঞ্চ কৃষক সমিতির সভাপতি মো. দুলাল হোসেন বলেন, ‘কৃষি কাজের জন্য যে ঋণ আছে তা যেন সহজ সর্তে পাওয়া যায়।’

প্রকৃত কৃষকরা এ কার্ড পেলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে। আর কার্ড হস্তান্তরে অনিয়ম হলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানান এ অর্থনীতিবিদ।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার সাহা বলেন, ‘কৃষিকে বাঁচাতে বর্তমান সরকার খুবি সচেতন। কৃষকদের যে দীর্ঘদিনের দুঃখ দুর্দশায় আছে তা গুচে যাবে আবারও কৃষি ক্ষেত্রে সনির্বরতা আসবে।’

প্রকৃত কৃষকের নামই তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে বলে জানান- এ কৃষি কর্মকর্তা।

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আশেক পারভেজ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে যে কৃষকদের তালিকা করেছি তার কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছি। সরকারের সব সুযোগগুলো সে কার্ডের মাধ্যমে পাবে।’

জেআর