বজ্রপাতে ৭ জেলায় ১২ জনের মৃত্যু

প্রতীকী ছবি
পরিবেশ ও জলবায়ু , আবহাওয়ার খবর
এখন জনপদে
0

দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আজ (রোববার, ২৬ এপ্রিল) বিকেলে গাইবান্ধাসহ সাত জেলায় এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে গাইবান্ধা জেলায়, যেখানে একই এলাকায় একসঙ্গে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

এখন টিভির জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানা যায়, নাটোর জেলার সিংড়ায় ধান কাটার সময় বজ্রপাতে একজন নিহত হন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও সাঘাটা উপজেলায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ ও রায়গঞ্জে বজ্রপাতে দুজন মারা গেছেন।

জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলায় রান্নার সময় বজ্রপাতে মর্জিনা নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়। বগুড়া জেলার গাবতলীর সোনারাই এলাকায় বজ্রপাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। অন্যান্য জেলাতেও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধায় বিকেল চারটার দিকে হঠাৎ আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। এসময় বজ্রপাতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নে চারজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় একটি গরুও মারা যায়।

আরও পড়ুন:

অন্যদিকে, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার পদুম শহর এলাকায় গোসল করার সময় বজ্রপাতে আহত একজনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া ফুলছড়ি উপজেলার বুলবুলির চর এলাকায় বজ্রপাতে আহত আরও একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতের ঘটনায় সেলিনা আক্তার (৩৫) ও ইলিয়াস আলী (৩৭) নামের দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলার সৈয়দপুর ও বিকেলে কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়নে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম।

পুলিশ জানায়, দুপুরে সেলিনা আক্তার ফসলি মাঠে কৃষিকাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বজ্রাঘাতের শিকার হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে, বিকেলে কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামের ইলিয়াস আলী নিজের জমির ফসল দেখতে মাঠে যান। এসময় তিনি আকস্মিক বজ্রপাতের শিকার হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে ফসলি জমিতে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।

এএইচ