এসময় নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ জয়ী না হলে আবারও পূর্বের মতো ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা ফিরে আসবে, আর যেই ক্ষমতায় আসবে সেই স্বৈরাচার হয়ে উঠবে।’
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘‘না’’-এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই, গণভোটে ‘‘না’’ পাশ হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবু আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট দেবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা ‘‘না’’-এর পক্ষে কথা বলছেন, তারা আসলে কী বার্তা দিতে চান, তা স্পষ্ট নয়। ‘‘না’’ ভোট পাশ হলে যে ক্ষমতায় আসবে, সেই শক্তি স্বৈরাচারী হবে। তাই এবারের ভোট বাংলাদেশকে আগামী ৫০ বছর এগিয়ে নেয়ার ভোট। মানুষকে সচেতনভাবে ভোট দেয়ার জন্য আহ্বান রইলো।’
আরও পড়ুন:
অতীত স্মরণ করিয়ে এনসিপির নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার ১০ টাকায় চাল দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেশকে লুটপাটের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। ১১ দলীয় জোট নির্বাচনে জয়ী হলে দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অবসান ঘটানো হবে, চাকরির জন্য কাউকে ঘুষ দিতে হবে না।’
এছাড়া এনসিপি নেতারা বলছে, যারা গণভোটে ‘না’—এর পক্ষে থাকবে, তারা নির্বাচনে জনগণের সমর্থন পাবে না।
অনুষ্ঠানে একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এনসিপি। তাদের ভাষ্য, এই কার্ডের অর্থ কোথা থেকে আসবে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। তারা আশঙ্কা করছেন, এসব কার্ড দলীয় লোকজনই পাবে, আর সাধারণ মানুষের ওপর বাড়বে অতিরিক্ত করের বোঝা।





