আহতরা হলেন—কাজী আনিসুর রহমান, তার স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগম, ছেলে গাজী রাইছুল ইসলাম এবং তার ছোট ছেলে রাশিদুলের স্ত্রী ফাহিমা। তাদের মধ্যে রঞ্জুয়ারা বেগম ও ফাহিমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাজী আনিসুরের ছোট ছেলে রাশিদুল মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় তিন বছর আগে কারাগারে যান। সেখানে তিনি ইমরান নামে একজনের সঙ্গে পরিচয় করেন। পরিচয়ের সুবাদে রাশিদুল ইমরানের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতে থাকেন। এ সময়ই ইমরানের স্ত্রী ফাহিমার সঙ্গে রাশিদুলের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।
আরও পড়ুন:
ছয় মাস আগে ইমরান পুনরায় একটি মামলায় কারাগারে গেলে রাশিদুল ফাহিমাকে বিয়ে করেন। এ খবর শুনে ক্ষুব্ধ হন ইমরান এবং প্রতিশোধ নেয়ার পরিকল্পনা করেন। বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিশোধের অংশ হিসেবে হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, পুত্রবধূ ফাহিমার সাবেক স্বামীই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ফাহিমা প্রায় ৮ মাস আগে ইমরানের সঙ্গে ডিভোর্স করেছেন। গত ডিসেম্বর নতুন সংসার শুরু করায় সাবেক স্বামীর ক্ষোভের জেরেই হামলা ঘটানো হয়েছে।
খুলনা মেডিকেলের সরকারি রেজিস্টার ডা. লক্ষ্মীন্দার কুমার দে জানিয়েছেন, চারজনের মধ্যে রঞ্জুয়ারা বেগম ও ফাহিমার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আনিসুরের ঘাড়ে তিনটি গুলি, রাইছুলের পায়ে একটি, রঞ্জুয়ারার বুকে দুটি এবং ফাহিমার পায়ে একটি গুলি লেগেছে।
লবনচরা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তুহিনুজ্জামান জানান, পরকীয়ার জেরেই হামলা সংঘটিত হয়েছে। হামলায় ছয়জন অংশ নিয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।





